আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা।
শিশুসুলভ পোষ্ট ও কমিউনিটির সৃজনশীলতা রক্ষার্থে আমি চেষ্টা করব একেক দিন একেক বিষয় নিয়ে হাজির হতে।
হাজির হলাম আপনাদের সামনে নতুন একটি পোষ্ট নিয়ে। আজকে আমি আপনাদের সাথে আমার নিজের করা ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি শেয়ার করবো।


লোকেশন | https://w3w.co/argued.pillboxes.steamboats
আজকে আমি আপনাদের সাথে কিছু ঘাসফড়িং এর ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি শেয়ার করব,আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
প্রথমেই বলে নেই ঘাসফড়িং গুলো আমি কোথায় পেয়েছি।


আসলে প্রতিদিন সকালে যখনই আমি সময় পাই, তখনই আমি ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি করার জন্য বের হই।সাথে আমার সেলফি স্টিক এবং ম্যাক্রো লেন্স টি নিয়ে।


প্রতিদিনের মত আজকেও বের হয়ে আমি বাড়ির আশে পাশের আঙিনায় ঘুরাঘুরি করি।আর বাড়ির আশে পাশেই দেখতে পাই, একটা জায়গাতে ঘাসফড়িং বসে আছে ।
আসলে এই ঘাসফড়িং প্রথমে আমি দেখতে পাইনি, তাই প্রথমে আর ও অন্যান্য কিছু পোকা-মাকড় এর ফটো তুলে নিয়েছিলাম।


পরে ঘাসফড়িং টি দেখতে পাই,এবং আমি সেখানে আমার ম্যাক্রো লেন্স দিয়ে ফটোগ্রাফি গুলা করি।আর সেটা আপনাদের সাথে আজকে শেয়ার করতেছি।


এই ঘাসফড়িং মানুষের কোনো ক্ষতি করে না, বরং এরা অনেক সময় মানুষের উপকার করে,প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রে। বেশিরভাগই গ্রাম অঞ্চলে এই ঘাসফড়িং গুলোকে দেখা যায়।


এই ঘাসফড়িং এর জীবন বেশিরভাগই বন-জঙ্গলে বা ঘাসের মধ্যে এদের জীবন চক্র চালিয়ে যায়। তবে জীবনের সর্বোচ্চ সময় এরা ধান ক্ষেতে, বা যেসব জমিতে ধান চাষ করা হয় সেই সব জমিতে এগুলোকে বেশি দেখা যায়।


অনেক দেশে আবার এই ঘাস ফড়িং তাদের খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যদিও আমি এ বিষয়ে নিশ্চিত না, তবে আমি কয়েকটা মন্তব্য বা নিউজ পেপার এ বা নিউজে দেখেছি। তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম।


এদিকে এই ঘাসফড়িং টি পঙ্গপালের মতো দেখতে, যদিও এটি পঙ্গপাল নয়। পঙ্গপাল এমন একটা ঘাসফড়িং এর আকৃতির প্রাণী, যেটা নাকি মানুষের অর্ধেক পরিমাণ খাবার খেয়ে নিতে পারে,তাদের একটা জনগোষ্ঠী সবাই মিলে।


তো বন্ধুরা যাইহোক ঘাসফড়িং এর কিছু ফটোগ্রাফি আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম আশা করি আপনাদের ভালো লাগবে।
এবার বলা যাক ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি নিয়ে কিছু কথা।
আসলে অনেকে বলে ফটোগ্রাফি তো অনেক সহজ একটা বিষয়।তবে আমি বলি হ্যাঁ ফটোগ্রাফি সহজ একটা বিষয়, তবে সব ফটোগ্রাফি সহজের বিষয় নয়। যেমন করে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি এতটা সহজ নয়, যতটা আমরা সহজে মুখে বলি।


ম্যাক্রোফটোগ্রাফি করতে হলে তার অবশ্যই ধৈর্য থাকতে হবে। তার দক্ষতা থাকতে হবে।তার ভালো একটা ক্যামেরা থাকতে হবে, এবং সাথে একটি ক্যামেরার জন্য এক্সট্রা লেন্স থাকতে হবে। আর যেটাকে আমরা বলি ম্যাক্রো লেন্স।


শুধু ম্যাক্রো লেন্স আর একটা ভালো ক্যামেরা হলে হবে না, অবশ্যই যে ব্যক্তি ম্যাক্রোফটোগ্রাফি করবে তার দক্ষতার প্রয়োজন আছে।


আবার কোন ব্যক্তির অনেক দক্ষতা আছে ম্যাক্রোফটোগ্রাফি সেক্টরে, কিন্তু তার কাছে ভালো ক্যামেরা অথবা লেন্স নেই, তাহলেও ভালো কোন ম্যাক্রোফটোগ্রাফি সে ক্যাপচার করতে পারবে না।


তার মানে এই দুইটার সমন্বয়ে ম্যাক্রোফটোগ্রাফি সুন্দর ভাবে তুলে ধরা সম্ভব। অন্যথায় কোনভাবেই সম্ভব না।
তো বন্ধুরা আমি আমার বাংলা ব্লগে যে পরিচিতি পোস্ট করেছিলাম, সেখানে আমি বলেই রেখেছি যে, আমি ফটোগ্রাফি ভালোবাসি।


তবে সেটা হচ্ছে ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি এবং ল্যান্ডস্কেপ ফটোগ্রাফি। তো আজকে আপনাদের সাথে আমি আমার ম্যাক্রোফটোগ্রাফি শেয়ার করলাম।

আজ আর নয়, আপনার নিকটতম এবং প্রিয়জনের সাথে নিরাপদে থাকুন, নিজের যত্ন নিন। আপনার দিনটি শুভ হোক

.png)
𝒩ℰ𝒱ℒ𝒰123
.png)

আমি বাংলাদেশ থেকে এমদাদ হোসেন নিভলু। আমার স্টিমিট আইডি হল @ nevlu123। আমি ফেনী জেলায় থাকি। আমার কাজ কম্পিউটার শেখানো, আমার একটি কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে। যেখানে আমি স্টিমিট কাজের পাশাপাশি আমার সময় কাটাই। @nevlu123 নামে আমার একটি ডিসকর্ড অ্যাকাউন্ট আছে। আমার বয়স এখন ৩০ বছর। আমি জাতিগতভাবে মুসলিম বা আমি মুসলিম কিন্তু ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি কারণ আমি বাংলা বলি তাই ভাষাগতভাবে আমি বাঙালি।.png)
ফোনের বিবরণ ক্যামেরা স্যামসাং গ্যালাক্সি ধরণ ঘাসফড়িং (ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি) ক্যামেরা.মডেল এম ৩১ ক্যাপচার @nevlu123 সম্পাদনা শুধু সেসুরেশন লোকেশন https://w3w.co/argued.pillboxes.steamboats সবার প্রতি শুভেচ্ছা এবং এই পোস্টটি সমর্থনকারী সকল বন্ধুদের বিশেষ ধন্যবাদ।