আমার প্রিয় বন্ধুগন, সবাই কেমন আছেন? সবাইকে আমার আন্তরিক মোবারকবাদ এবং অন্তরের অন্তস্থল থেকে আপনাদেরকে জানাই শুভেচ্ছা। সবাইকে স্বাগতম আমার নতুন পোষ্টে,আবার ও হাজির হলাম আপনাদের সামনে নতুন একটি পোষ্ট নিয়ে।
জাস্ট ম্যারিড নাটকের রিভিউ। আজকে আমি আমার এই পোষ্টের মাধ্যমে এই নাটকের গল্পটি নিজের মত করে রিভিউ করার চেষ্টা করেছি। আশা করি আপনাদের কাছে ভালো লাগবে।তো বন্ধুরা চলুন শুরু করা যাক।
নাটকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য নাটকের নাম জাস্ট ম্যারিড পরিচালক হাসিব হোসাইন রাখি অভিনয় নিলয় আলমগীর, জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি সহ আরো অনেকে ভাষা বাংলা মুক্তির তারিখ ০৯ নভেম্বর ২০২৪
এই নাটকের নামটি শুনেই আপনারা বুঝতে পেরে গিয়েছেন যে নাটকটি কেমন হবে৷ প্রথমে যখন নাটকটি শুরু হয় তখন এখানে দেখানো হয় যে নায়ক এবং নায়িকার আজকেই বিয়ে হয়েছে৷ তারা দুজন দুজনকে আগে থেকেই চিনত। তারা দুজন দুজনের কাজিন ছিল৷ যার ফলে তারা একে অপরের কর্মকাণ্ডগুলো জানতো৷ নায়ক আগে অনেক মেয়েদের সাথে কথা বলেত। যা নায়িকা জানতো৷ নায়িকাও অন্যান্য ছেলেদের সাথে কথা বলত এবং তাদের সাথে বিভিন্ন জায়গায় দেখা করত। সেটিও নায়ক জানতো৷ তাই যখনই তাদের বিয়ে হয় এবং এখানে তারা একে অপরের মুখোমুখি হয় তখন নায়ক নায়িকার অতীতের কথাগুলো বলতে থাকে৷ নায়িকাও তার অতীতের কথাগুলো বলে৷ যার ফলে তাদের দুজনের মধ্যে অনেকটাই ঝামেলা হয়ে যায়৷ তারা দুজনে ছোট বাচ্চাদের মতো ঝগড়াঝাটি করতে থাকে৷
তাদের বিয়ে হয়ে যাওয়ার পরেও নায়িকা তার বয়ফ্রেন্ডদের সাথে দেখা করতে থাকে৷ একই সাথে নায়কও তার অফিসের কলিগদের সাথে বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলে৷ যার ফলে তারা তার প্রেমে পড়ে যায়৷ একদিন যখন নায়ক তার অফিসে একজন মেয়ের সাথে বসে অনেক মধুর আলাপ করছিল তখন সেখানে নায়িকা চলে আসে৷ সে সেখানে তার জন্য খাবার বাড়তে থাকে৷ বলে যে সে নায়কের বিয়ে করা স্ত্রী৷ যখনই নায়িকার এই কথাটি অফিসের ওই মেয়েটি শুনে তখন সে নায়ককে অনেক অপমান করতে থাকে৷ অনেক ধরনের কথা বলতে থাকে৷ এরপর নায়কের বাসায় আরো অনেক ধরনের ঝগড়া হতে থাকে৷ তখন নায়কের বাবা-মা বলে যে তারা এই বাসা থেকে বাইরে বেড়াতে যাচ্ছে৷ যেহেতু তাদের ছেলেমেয়ে বেড়াতে কোথাও যাচ্ছে না৷ তাই তারা বেড়াতে যাবে৷
নায়িকাও সেটিতে রাজি থাকে৷ সে বলে যে তারা যেহেতু বেড়াতে যেতে চায় তার কোন সমস্যা নেই৷ নায়কও এই বিষয়ে কোনো ধরনের বাধা দেয় না৷ তারা সবাই সে বিষয়ে রাজি ছিল৷ এরপর নায়িকা সুযোগ বুঝে তার বন্ধুবান্ধবদেরকে তার বাসায় আনে এবং সবাই মিলে পার্টি করতে থাকে৷ তখনই নায়কও নায়কের বন্ধু-বান্ধবদের এনে এখানে পার্টি করতে থাকে৷ দুই গ্রুপ দুই দিকে পার্টি করছিল৷ নায়ক যখন মদ পান করে তখনই সে সেখানে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়৷ যখনই নায়িকা এই বিষয়টি দেখতে পায় তখন সে অনেকটাই কষ্ট পেতে থাকে৷ কারণ সে এভাবে মাথা অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছে৷ যখন সে সবাইকে বলে যে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য তখন সবাই তাকে ছেড়ে সেখান থেকে চলে যায়৷ তখন নায়িকা নায়ককে নিয়ে হাসপাতালে যায়। সেখানে সে শুনে যে নায়কের কিডনিতে সমস্যা৷ নায়ক কখনোই এরকম কোন কিছু খেতে পারবে না৷ তাই এখন তার কিডনি পরিবর্তন করতে হবে৷ তখন নায়িকা বলে যেহেতু তার কারণেই তার কিডনি নষ্ট হয়ে গিয়েছে৷ এখন সে তার নিজের কিডনি দিয়ে দিবে৷ এরপর নায়ককে নায়িকা তার কিডনি দিয়ে দেয়। এভাবেই তাদের সম্পর্ক জোড়া লেগে যায়।
আমার ব্যক্তিগত মতামত।
খুবই সুন্দর একটি নাটক ছিল এটি৷ প্রথমে যখন নাটকের নামটি আমি দেখি তখনই ভেবেছিলাম যে নাটকটি ঠিক এরকমই কোন কিছু দ্বারা সাজানো থাকবে৷ ঠিক সেরকমই হয়েছে৷ নাটকটি যখন প্রথমে শুরু হয় তখন স্বামী স্ত্রী একে অপরকে কোনভাবে সহ্য করতে পারত না৷ তারা একে অপরের পরিচিত হওয়ার কারণে তারা তাদের অতীত সম্পর্কে সবকিছু জানত৷ যার ফলে তাদের সম্পর্ক একেবারে ভেঙে যাওয়ার মত হয়েছিল৷ তবে শেষ পর্যন্ত নায়কের অসুস্থতা তাদের দুজনের মিল করে দেয়৷ আসলে বাস্তবেও এরকম অনেক কিছুই আমরা দেখতে পাই৷ কারণ বাস্তবেও কিছু কিছু মানুষ একে অপরের চেনা পরিচিত থাকে৷ যার ফলে তাদের সম্পর্ক তেমন একটা শক্তিশালী হয় না৷ তবে বিভিন্ন কারণে অথবা কোন না কোন ধাক্কা তাদের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়৷ তাদের সম্পর্ককে এত বেশি শক্তিশালী করে যে কেউ কখনো সেটি ভাঙতে পারেনা।









