♥️আসসালামুআলাইকুম♥️
আমি @bristy1, আমার বাংলা ব্লগ এর একজন সদস্য। আর আমার এই প্রিয় কমিউনিটির প্রিয় বন্ধুগণ, আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমিও আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি৷সবার সুস্থতা কামনা করেই আজকের পোস্টটি শুরু করতে যাচ্ছি।
কিছুদিন আগে আমি আপনাদের সাথে ছাদে লাগানো কাঠগোলাপ গাছের ডিটেইলস শেয়ার করেছিলাম। আজকে আবারো হাজির হয়ে গেলাম আমার সেই প্রিয় ফুল গাছ এবং গাছের ফুল নিয়ে কিছু কথা শেয়ার করার জন্য। ব্যক্তিগত ভাবে আমার পছন্দের তালিকার শীর্ষে রয়েছে বেলি ফুল, গন্ধরাজ ফুল আর কাঠ গোলাপ ফুল। এই ফুলগুলো আমার কাছে এতটাই ভালো লাগে যে এর একটা বাগান তৈরি করার খুব ইচ্ছে আছে।
কিন্তু অনেক সময় দেখা যায় সময় স্বল্পতার কারণে বাগান করার কাজটা হয়ে ওঠেনা। বাগান করা একটা শখ হলেও এর ভেতর অনেক বেশি পরিশ্রম দিতে হয়। ফুলের বাগান, সবজির বাগান যে কোন কিছুতেই অনেক বেশি পরিশ্রম দিলে সেখানে ফলন ভালো হয়। তবে ছাদের পরিবেশ পরিস্থিতির কথা চিন্তা করে খুব বেশি গাছ রোপন করতে পারি না। কারণ সেখানে অনেক ধরনের শাকসবজি গাছ লাগানো হয়ে থাকে। ফুল গাছ লাগালেও বাচ্চারা উঠে সবকিছুই ছিড়ে ফেলবে। তবুও খুব শখ করে একটা কাঠগোলাপ গাছের আবদার করেছিলাম আমার হাজবেন্ডের কাছে।
গত বছর বৃষ্টির সময়টাতে প্রথমে কাঠগোলাপের চারাটা নিয়ে আসা হয়েছিল। তার সাথে অনেক ধরনের সবজি গাছও নিয়ে আসা হয়েছিল। কিন্তু কাঠগোলাপ গাছ দেখে আমি এতটাই আনন্দিত হয়েছিলাম যে বৃষ্টির মধ্যে ভিজে ভিজে ওই গাছটা রোপণ করেছিলাম। এই গাছটা যখন আমি রোপণ করেছিলাম তার কিছুদিন পর আমার ছোট আন্টিও একটা কাঠগোলাপ গাছ চট্টগ্রাম থেকে এনেছিল। ৬-৭ মাসের মাথায় তার গাছে ফুল ধরেছে। কিন্তু আমার গাছটা তখনও তেমন একটা বৃদ্ধি হয়নি। সেটা দেখেই আমার খুব মন খারাপ হচ্ছিল।
গত পর্বে আপনাদের মাঝে শেয়ার করেছিলাম হঠাৎ করেই এই গাছে ফুল দেখে কতটাই আনন্দিত হয়েছিলাম সেই বিষয়টা। ফুল দেখেছি বললে ভুল হবে কারণ তখন সম্পূর্ণটাই কলি ছিল। কলিগুলো যখন বড় হতে থাকলো তখন আমার ভেতরকার আনন্দগুলো যেন আরো বেশি বৃদ্ধি পেতে থাকলো। যাই হোক আমি যেহেতু বর্তমানে আমার বাবার বাসায় আছি। আর সেখান থেকে গতকাল বিকেলবেলা বাড়িতে গিয়েছিলাম। বাড়িতে গিয়ে আমি প্রথমে ছাদে চলে গেলাম। আমার কাঠগোলাপ গাছের আপডেট দেখার জন্য। সিঁড়ি থেকে ছাদে পা রাখার সাথে সাথে আমার মনটা এত বেশি ভালো হয়ে গিয়েছিল যে নিজেকে যেন ধরে রাখতে পারছিলাম না।।
সেখানে গিয়েই ফটোগ্রাফি করা শুরু করে দিলাম। আর এর সুগন্ধ নিচ্ছিলাম। খুব সুন্দর মিষ্টি গন্ধ নাকে ভেসে আসছিল। আর দেখতে এতটা মায়াবী লাগছিল যে ইচ্ছে করছিল সেখানে বসেই তাকিয়ে থাকি। অনেকগুলো ফটোগ্রাফি করেছি এবং সাথে ভিডিওগ্রাফিও করেছি। আসলে এই আনন্দের মুহূর্তটা আপনাদের মাঝে শেয়ার করতে এত বেশি ভালো লাগছে যা বোঝানোর মত নয়। শখের কোন জিনিস যদি এভাবে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে তখন আরো বেশি ভালো লাগে।
সবাই অনেক অনেক ভালো থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। সবার জন্য আন্তরিক ভালোবাসা রইল। সম্পূর্ণ পোস্টে আমার ভুল-ত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
♥️আল্লাহ হাফেজ♥️



